শুক্রবার

প্রতিদিন রসুন খাওয়া প্রয়োজন এই ৭ কারণে

 


রসুন আমাদের প্রতিদিনের রান্নার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির জন্যই এটি জনপ্রিয় নয়, বরং রান্নাঘরের এই উপাদান হার্টের স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে কোষ পুনর্জন্ম পর্যন্ত ঠিক রাখতে পারে। রসুন কয়েক শতাব্দী ধরে ঔষধি গুণাবলীর জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রসুন রাখলে দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতাগুলোকে এড়িয়ে চলতে পারবেন। জেনে নিন কোন কোন কারণে রোজ খাবেন রসুন।


  1. রসুনে অ্যালিসিনের মতো সক্রিয় যৌগ রয়েছে, যার উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও রসুনে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে রক্ষা করতে সহায়তা করে।
  2. রসুনে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি র‌্যাডিক্যালকে নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ক্যানসার এবং আলঝেইমার রোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায় রসুন।
  3. কাঁচা রসুন রক্তচাপ কমানোর পাসাপাস স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন খাওয়া সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক উভয় রক্তচাপ কমাতে পারে, যা সামগ্রিক কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। 
  4. এইচডিএল কোলেস্টেরল (ভালো কোলেস্টেরল) বৃদ্ধির সাথে সাথে রসুন মোট কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল (খারাপ কোলেস্টেরল) হ্রাস করে। 
  5. রসুনে এমন যৌগ রয়েছে যা প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য সম্বলিত। নিয়মিত রসুন খেলে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের ঝুঁকি কমে। 
  6. শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে রসুন। ফলে নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমে।
  7. সালফার যৌগ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ রসুন খেলে কোষ এবং টিস্যুর পুনর্জন্ম বাড়ে।

তোকমা খাওয়ার ১৪ উপকারিতা

 


ইফতারে তোকমার শরবত খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। স্মুদি কিংবা শরবতে ভেজানো তোকমা মিশিয়ে দিতে পারেন সহজেই। বীজটি ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। তোকমা অনেকটা চিয়া বীজের মতোই দেখতে, পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ছোট, কালো এবং থকথকে হয় এটি। খাওয়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে তোকমা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা পর্যন্ত এটি ভিজিয়ে রেখে খাওয়া যায়। জেনে নিন তোকমা খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।


  1. তোকমায় প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে। ফাইবারের অনেক স্বাস্থ্য সুবিধার মধ্যে একটি হলো এটি কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম বা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও এটি সহায়ক।
  2. রোজা রেখে তোকমার শরবত খেলে আমাদের শরীরের তরলের মাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়। আমাদের হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে তোকমার শরবত।
  3. তোকমায় থাকা ফাইবার কার্ডিওভাসকুলার রোগ, কোলোরেক্টাল ক্যানসার এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।
  4. ২০১৬ সালের একটি সমীক্ষা বলছে, সম্ভাব্য অ্যান্টিডায়াবেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে তোকমায়। শরীরের ওজন এবং রক্তে শর্করার মাত্রা উভয়ই কমাতে পারে উপকারী এই বীজ। 
  5. ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো যৌগ রয়েছে তোকমায়। এটি এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহে অস্থির অণু প্রতিহত করতে পারে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যাল নামে পরিচিত এবং এগুলো কোষের ক্ষতি করে। ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে সৃষ্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, নিউরোডিজেনারেটিভ ডিজিজ এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের কারণ। 
  6. তোকমায় ব্যাকটেরিয়ারোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে এই বীজে থাকা উপকারী উপাদানসমূহ।
  7. আর্থ্রাইটিসের প্রদাহ কমাতে পারে  তোকমা। 
  8. তোকমায় ভিটামিন (যেমন ভিটামিন কে), খনিজ পদার্থ (যেমন ক্যালসিয়াম) এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে যা আমাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
  9. তোকমায় মিউকিলেজ থাকে। এটি এক ধরনের জেলের মতো পদার্থ যা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফুলে যায়। এই জেলের মতো টেক্সচার নিয়মিত খেলে হজম ভালো হয়। 
  10. তোকমায় থাকা আঁশ অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। এটি তৃষ্ণা কমাতে এবং অতিরিক্ত খাওয়া আটকাতে সাহায্য করে। 
  11. রক্তে শর্করার মাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে তোকমা। রক্ত ​​প্রবাহে চিনির নিঃসরণকে ধীর করতে সাহায্য করার পাশাপাশি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এই বীজ। 
  12. তোকমায় থাকা পলিফেনল কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।  
  13. ত্বকের অকাল বার্ধক্য আটকাতে পারে তোকমা। তোকমার শরবত নিয়মিত খেলে ত্বক হয় স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। 
  14. তোকমার শরবত শরীর শীতল করে। এতে মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমে। 

পেট পরিষ্কার রাখতে জিরা খান এই ৩ উপায়ে

 

তেল, মসলাযুক্ত খাবার কিংবা তেলে ভাজা খাবার খেলে বেশ অস্বস্তিবোধ হয়। গ্যাসের মতো সমস্যাও দেখা যায়। এই সমস্যাগুলো মোকাবিলা করার জন্য কাজে লাগাতে পারেন হাতের কাছে থাকা ছোট একটি উপাদানকে। পরিপাক স্বাস্থ্যে সহায়তা করে এমন উপাদানে ভরপুর মসলা হচ্ছে জিরা। পেট সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে এটি বেশ কার্যকর- বলছে গবেষণা। পেট পরিষ্কার রাখতে জিরা খাওয়ার তিনটি পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিন।


জিরা ভেজানো পানি
এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ জিরা মিশিয়ে সারারাত রেখে দিন। পরদিন সকালে ছেঁকে এই পানি পান করুন। পেট পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি বদহজম থেকেও মুক্তি মিলবে। 

জিরা চা
অসংখ্য উপকার পেতে এক কাপ জিরা চা পান করে দিন শুরু করুন। এক কাপ পানি ফুটিয়ে আধা চা চামচ জিরা মিশিয়ে ছেঁকে নিয়ে হালকা গরম থাকা অবস্থায় পান করুন। এই চা পেট সংক্রান্ত সমস্যা কমাতে এবং সামগ্রিক পরিপাক সুস্থতায় ভূমিকা রাখতে পারে।


ভাজা জিরা গুঁড়া
ভাজা জিরা গুঁড়া পেট পরিষ্কার করার আরেকটি কার্যকর পদ্ধতি। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে আধা চা চামচ ভাজা জিরার গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন। এটি শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করে না, পাশাপাশি পাচনতন্ত্রকেও শক্তিশালী করে। ডাল বা শাকসবজিতে ভাজা জিরার গুঁড়া যোগ করেও খাবারের স্বাদ বাড়াতে পারেন।

জিরা খাওয়ার যত উপকারিতা

  • জিরাতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা হজমশক্তি বাড়ায়, গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কমায়।
  • পেট পরিষ্কার এবং কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম করে জিরাতে থাকা ফাইবার।
  • জিরার ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
  • জিরাতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য বাতজনিত রোগ কমাতে সাহায্য করতে পারে।


ভেজানো কিশমিশ ও এর পানি খেলে মিলবে এই ৮ উপকারিতা

 


শুকনো ফলের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কিশমিশ। আঙুর শুকিয়ে তৈরি কিশমিশের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। পানিতে ভিজিয়ে রেখে কিশমিশ খেলে মিলবে বেশ কিছু উপকারিতা। কিশমিশ ভেজানো পানিরও রয়েছে অনেক গুণ। প্রাকৃতিক রেচক হিসেবে কাজ করে ভেজানো এটি। হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। এছাড়াও ভেজানো কিশমিশ বোরন এবং ক্যালসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে হাড়ের শক্তি বাড়ায়। জেনে নিন আরও বিস্তারিত।

  1. লিভার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা প্রাকৃতিকভাবে আমাদের শরীরকে ডিটক্সিফাই করে। খারাপ খাদ্যাভ্যাস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনধারার কারণে অনেক সময় লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সে ক্ষেত্রে ডিটক্সিফিকেশনের জন্য আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন। একটি চমৎকার ডিটক্সিফিকেশন পানীয় হচ্ছে কিশমিশ ভেজানো পানি। লিভারের জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করে এবং আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় এই পানি।এছাড়া কিশমিশে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার লিভার থেকে বেশি পিত্ত বের করে।
  2. কিশমিশে প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে এবং এগুলো ভিজিয়ে রাখলে যৌগগুলো আরও বেশি উৎকৃষ্ট হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলগুলোকে নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে, যা আমাদের দীর্ঘমেয়াদি রোগ থেকে দূরে রাখে। 
  3. কিশমিশ প্রাকৃতিকভাবে আয়রন সমৃদ্ধ, তবে এতে এমন যৌগও রয়েছে যা আয়রন শোষণকে বাধা দিতে পারে। কিশমিশ ভিজিয়ে রাখলে এই যৌগগুলোর মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে, সম্ভাব্যভাবে আয়রন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির শোষণকে উন্নত করতে পারে।
  4. কিশমিশে পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট থাকে, যা শরীরে সঠিক তরল ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইলেক্ট্রোলাইট স্নায়ু ফাংশন, পেশী সংকোচন এবং হাইড্রেশন মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। কিশমিশের পানি খেলে ঘামের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া ইলেক্ট্রোলাইট পূরণ হয়। 
  5. ভেজানো কিশমিশ প্রাকৃতিক খাদ্যতালিকাগত ফাইবারের একটি বড় উৎস, যা প্রাকৃতিক রেচক হিসেবে কাজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
  6. কিশমিশে গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজসহ প্রাকৃতিক শর্করা রয়েছে, যা দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করে। কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে এবংসারাদিন সক্রিয় থাকতে সহায়তা করে। 
  7. সুস্থ অন্ত্র সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিশমিশের পানিতে খাদ্যতালিকাগত ফাইবার রয়েছে যা হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। 
  8. কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে এবং এতে উচ্চ ক্যালসিয়াম রয়েছে। প্রতিদিন ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ খেলে হাড় মজবুত ও সুস্থ থাকে।


ডাল খেলে গ্যাস্ট্রিক হচ্ছে? জেনে নিন ৫ টিপস

 



প্রোটিন, ফাইবার এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টির দুর্দান্ত উৎস ডাল। তবে অনেকেরই ডাল খাওয়ার পর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। এর জন্য দায়ী ডালের জটিল কার্বোহাইড্রেট সংমিশ্রণ এবং কিছু যৌগের উপস্থিতি। ডালে অলিগোস্যাকারাইডসহ জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা অনেক সময় পরিপাকতন্ত্র সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলতে পারে না। যদিও ফাইবার হজমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে ডাল খাওয়ার পর অনেকেরই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। ডালে ফাইটেট এবং লেকটিনের মতো অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে যা উদ্ভিদকে রক্ষা করার জন্য থাকে। কিন্তু কখনও কখনও এরা মানুষের হজমের অস্বস্তি সৃষ্টি করে। ভিজিয়ে রাখা এবং সঠিকভাবে রান্না করা এই অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্টের প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। কিছু টিপস জেনে নিন। 


  1. রান্নার আগে ডাল ভিজিয়ে রাখলে কিছু জটিল কার্বোহাইড্রেট এবং অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট ভেঙে যেতে পারে যা তাদের আরও হজমযোগ্য করে তোলে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমিয়ে দেয়।
  2. ডাল খেলে অস্বস্তি হলে একবারে বেশি পরিমাণে খাবেন না। ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান। এটি পাচনতন্ত্রকে উচ্চতর ফাইবার সামগ্রীর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে, অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমায়।
  3. ডাল রান্নার সময় এমন মসলা দিন যেগুলো হজমে সহায়ক। জিরা, ধনিয়া এবং হিং এর মতো পাচক মসলাগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এসব মসলা হজমের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।
  4. সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাবেন। পরিপাক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা সহজ হবে।
  5. খাওয়ার পর মৃদু শারীরিক কার্যকলাপ যেমন অল্প হাঁটা হজমে সাহায্য করতে পারে। তবে ভারী ব্যায়াম করবেন না।


যে ৫ কারণে কমে যেতে পারে শ্রবণশক্তি

 



আজ বিশ্ব শ্রবণ দিবস। ‘মানসিকতার পরিবর্তন: কান ও শ্রবণের যত্নকে চর্চায় পরিণত করি’ স্লোগান নিয়ে আজ ৩ মার্চ দিবসটি পালিত হচ্ছে। আমরা অনেকেই কান ও শ্রবণশক্তি সম্পর্কে সচেতন না। ফলে নানা পর্যায়ে ভোগান্তির শিকার হতে হয় আমাদের নিজেদেরকেই। অসচেতনতাসহ বিভিন্ন কারণে আমাদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি সারাজীবনের জন্যও আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে কান। শ্রবণশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে সচেতন থাকলে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব। ইএনটি অ্যান্ড হেড নেক ক্যানসার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডাক্তার আসাদুজ্জামান রাসেল জানাচ্ছেন কোন কোন কারণে আমাদের শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে।

১। বিভিন্ন ধরনের আঘাত আমাদের শ্রবণশক্তি কমিয়ে দিতে পারে। আঘাত হতে পারে বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ। কানে আঘাত লেগে পর্দা ফেটে যেতে পারে। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা, হঠাৎ কানে কিছু দিয়ে আঘাত পাওয়া, ভেতরে খোঁচাখুঁচি করতে গিয়ে ব্যথা পাওয়াসহ অনেক কারণে শ্রবণশক্তির উপরে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। অনেক সময় শিশুরা খেলাচ্ছলে জোরে কানে আঘাত করতে পারে। এতেও শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

২। শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে শব্দ দূষণ। শব্দ দূষণের মধ্যে কাজ করতে করতে ধীরে ধীরে কানের শক্তি কমতে থাকে। অনেকে মিউজিক নিয়ে কাজ করেন। তাদের বেশিরভাগ সময় উচ্চশব্দের মধ্যে থাকতে হয়। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশরাও সারাদিন থাকেন উচ্চশব্দে। কলকারখানার মেশিনের শব্দে দীর্ঘক্ষণ থাকলেও কমে যেতে পারে শ্রবণশক্তি। অতিরিক্ত জোরে দীর্ঘক্ষণ ইয়ারফোন ব্যবহারের কারণে ক্ষতি হতে পারে কানের।

৩। অনেক সময় ভাইরাল অসুখের কারণে কানের নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শ্রবণশক্তি।  

৪। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কানের ক্ষতি হতে পারে।


রোজা রেখে পানির চাহিদা পূরণ করবেন যেভাবে

 


গতবারের মতো এই বছরও গরমের সময় রমজান মাস পালিত হচ্ছে। এ সময় সচেতন না থাকলে ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দিলে সারাদিন না খেয়ে থেকেও পানির চাহিদা সহজেই মেটানো সম্ভব। সিএনএন এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি আর্টিকেলে এ বিষয়ে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ রাহাফ আল বোচি। 

প্রশ্ন: রোজা রাখার সময় হাইড্রেটেড থাকার জন্য কী কিছু টিপস জানাবেন?

রাহাফ আল বোচি: রোজার সময় যেন ডিহাইড্রেট্রেড না হয়ে পড়েন, সেজন্য যে সময়টুকু রোজা থাকবেন না সে সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা ভীষণ জরুরি। আপনি যদি রাতে নামাজের জন্য বাইরে যান, তবে সাথে একটি পানির বোতল নিয়ে যেতে পারেন। চা, স্যুপ এবং তরমুজের মতো পানিযুক্ত খাবারসহ ফল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

আরেকটি দুর্দান্ত উপায় হচ্ছে পানিতে ইলেক্ট্রোলাইট যোগ করা। ইলেক্ট্রোলাইট শরীরকে আপনি যে পানি পান করছেন তা শোষণ করতে এবং অতিরিক্ত পটাসিয়াম, সোডিয়াম এবং ভিটামিন সি যোগ করতে সহায়তা করে। পানিতে ইলেক্ট্রোলাইট পাউডার মেশাতে পারেন বা ডাবের পানি, এক চিমটি লবণ এবং এক চিমটি কমলার রস দিয়ে নিজেই তৈরি করতে পারেন।


প্রশ্ন: রোজার সময় কি ক্যাফেইন গ্রহণ কমানো উচিত?

রাহাফ আল বোচি: সত্যি বলতে, এটা একটা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আপনি যদি কফি প্যানে অভ্যস্ত থাকেন এবং রোজার সময় হঠাৎ বন্ধ করেন দেন তবে মাথাব্যথার মতো উপসর্গ অনুভব করতে পারেন। আমি ক্যাফিন গ্রহণ কমানোর পরামর্শ দিই, যদিও এটা নির্ভর করে তারা কতটুকু কফি খেয়ে অভ্যস্ত তার উপর। 

রোজায় সুস্থ থাকতে খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখুন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং প্রয়োজনে ইলেক্ট্রোলাইট যোগ করুন।

তরমুজ খাওয়ার ১০ উপকারিতা

 



গ্রীষ্মের ফল তরমুজ উঠে গেছে বাজারে। পানিতে পরিপূর্ণ ফলটি খেলে রোধ হয় পানিশূন্যতা। বিশেষ করে রোজার এই সময়টায় তরমুজ খাওয়া ভীষণ জরুরি। লাইকোপেন, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় ফলটি থেকে। এছাড়া তরমুজের প্রায় ৯২ শতাংশই পানি। ফলে গরমের ক্লান্তি ও ডিহাইড্রেশন দূর করতে জুড়ি নেই রসালো তরমুজের। জেনে নিন তরমুজ খেলে কোন কোন উপকারিতা মিলবে।

  1. তরমুজের চমৎকার লাল রঙ লাইকোপেন থেকে আসে। এটি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যকর জীবনধারার অংশ হিসেবে ক্যানসার এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অন্য যেকোনো ফল বা সবজির চেয়ে তরমুজে এই পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। 
  2. তরমুজে থাকা লাইকোপেন সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে প্রাকৃতিক সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। 
  3. তরমুজ সিট্রুলাইন নামক একটি অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ যা রক্তচাপ কমাতে পারে।  গবেষণা বলছে, তরমুজ খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। তবে পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনধারাও বজায় রাখতে হবে। 
  4.  আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের পানি প্রয়োজন। প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পান করলে শরীর ক্লান্ত বোধ করে। তরমুজে ৯২ শতাংশই পানি। তাই নিজেকে হাইড্রেটেড রাখার সহজ উপায় হচ্ছে নিয়মিত তরমুজ খাওয়া।
  5. তরমুজে বিটা-ক্রিপ্টোক্সানথিন নামক একটি প্রাকৃতিক রঙ্গক রয়েছে যা শরীরের জয়েন্টগুলোকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করতে পারে। কিছু গবেষণা বলছে, সময়ের সাথে সাথে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস হওয়ার ঝুঁকিও কমাতে পারে ফলটি। 
  6. এক মাঝারি টুকরো তরমুজে ৯ থেকে ১১ শতাংশ ভিটামিন এ পাওয়া যায়। এই ভিটামিন চোখকে সুস্থ রাখার অন্যতম চাবিকাঠি।
  7. তরমুজে থাকা ভিটামিন এ, বি৬ এবং সি ত্বককে নরম, মসৃণ এবং কোমল রাখতে সাহায্য করে। এটি পানিতে পরিপূর্ণ, ফলে নিয়মিত তরমুজ খেলে ত্বক থাকে উজ্জ্বল ও টানটান। 
  8. তরমুজে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। এক কাপ তরমুজে মাত্র ৪৫.৬ ক্যালোরি থাকে। এটি চর্বিমুক্ত, কোলেস্টেরলমুক্ত এবং এতে কোনও সোডিয়াম নেই। ফলে ডায়েট চার্টের জন্য দুর্দান্ত সংযোজন হতে পারে মিষ্টি তরমুজ।
  9. তরমুজে থাকা উচ্চমাত্রার পানি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম এবং অ্যামিনো অ্যাসিড ব্যায়ামের পর ফেরাতে পারে এনার্জি। পেশীর ব্যথা ও ক্র্যাম্প কমাতেও সহায়ক এসব উপাদান।
  10. হজমের সমস্যা থাকলে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন তরমুজ। অন্ত্রের জন্য হজম করা সহজ ফলটি।


ভিটামিন ডি কমে গেলে বোঝা যায় এই ৭ লক্ষণে

 



একেবারেই রোদের সংস্পর্শে না আসলে কিংবা খুব কম আসলে বাড়ে ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার ঝুঁকি। যাদের দুধজাতীয় খাবারে এলার্জি বা যারা আমিষজাতীয় খাবার খেতে ভালোবাসেন না, তারাও এই ভিটামিনের ঘাটতিতে ভোগার ঝুঁকিতে আছেন। শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন ডি সানশাইন ভিটামিন হিসেবে পরিচিত। ত্বকে রোদ লাগলে শরীর উৎপাদন করে ভিটামিন ডি। ক্যালসিয়াম শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই ভিটামিন। শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না পেলে নানাভাবে সেটা জানান দেয়। প্রাথমিকভাবে হাড় ও পেশী ব্যথার মতো সমস্যাগুলো দেখা দেওয়া শুরু হয়। কারণ হাড়ের ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং হাড় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই ভিটামিন। ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি রিকেটস রোগের কারণ হতে পারে। এটি এমন একটি রোগ, যেখানে হাড়ের টিস্যু সঠিকভাবে খনিজকরণ করে না, যা নরম হাড় এবং হাড়ের বিকৃতির জন্য দায়ী। এছাড়া আরও কিছু লক্ষণ দেখা দেয় পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর অভাবে। জেনে নিন সেগুলো কী কী।

  1. ক্লান্তবোধ করা ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার লক্ষণ। শরীরের এনার্জি লেভেল কমতে শুরু করে এই ভিটামিনের অভাবে, ফলে অল্প কাজ করেও লাগতে পারে ক্লান্ত। 
  2. ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। প্রায়ই সর্দি-কাশি বা ফ্লুতে ভোগার জন্য দায়ী হতে পারে ভিটামিন ডি-এর কম মাত্রা। 
  3. ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়, জয়েন্ট, পিঠ ও স্নায়ুতে ব্যথা হতে পারে। 
  4. ভিটামিন ডি এর অভাবের সঙ্গে বিষণ্ণতার সম্পর্ক রয়েছে। কোনও কারণ ছাড়াই বিষণ্ণ লাগলে ভিটামিন ডি এর মাত্রা পরীক্ষা করে নিন।
  5. অত্যধিক চুল পড়া হতে পারে ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার লক্ষণ।
  6. অস্ত্রোপচার বা আঘাতের পরে ধীরে ধীরে ক্ষত নিরাময় হওয়া ভিটামিন ডি অভাবের লক্ষণ হতে পারে। 
  7. বাড়তি ওজনের কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি। 


খেজুর খাওয়ার ১০ উপকারিতা

 


কেবল রোজার সময় নয়, খেজুর খাওয়া উচিত সারা বছরই। কারণ সুমিষ্ট ফলটির দারুণ কিছু উপকারিতা রয়েছে। খেজুর ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এছাড়া বেশ কিছু ভিটামিন এবং খনিজও রয়েছে এতে। আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানান ধরনের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর খেজুর নিয়মিত খেলে দূরে থাকা যায় বিভিন্ন রোগ থেকে। জেনে নিন খেজুর খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে। 


  1. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করতে এবং রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকর।
  2. খেজুরে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কিছু দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা যেমন হৃদরোগ, ক্যানসার, আলঝেইমার এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।
  3. মিষ্টি স্বাদের কারণে সাদা চিনির একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে খেজুর।
  4. খেজুরে ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ বেশ কিছু খনিজ রয়েছে। অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের রোগ প্রতিরোধ করতে পারে খেজুর।
  5. খেজুরে থাকা পটাশিয়াম হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করে এবং এলডিএল (ক্ষতিকর) কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়।
  6. খেজুরে রয়েছে ফসফরাস যা মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
  7. রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর। 
  8. খেজুরে থাকা ফ্রুকটোজ বা প্রাকৃতিক চিনি আমাদের এনার্জি জোগাতে সহায়তা করে।
  9. নিয়মিত খেজুর খেলে ত্বক ভালো থাকে। ত্বকের শুষ্কতা রোধ করার পাশাপাশি বলিরেখা প্রতিরোধে কার্যকর এই ফল। 
  10. নিয়মিতণ খেজুর খেলে যকৃতের রোগ কম হয়। 

বৃহস্পতিবার

চিয়া সিড খাওয়ার ৮ উপকারিতা


রোজার সময় ইফতার আয়োজনে বেশ কয়েকভাবে রাখতে পারেন চিয়া সিড। চিয়া বীজের পুডিং বানিয়ে খেতে পারেন, আবার স্মুদি বা তাজা জুসের পুষ্টি উপাদান বাড়াতে মিশিয়ে নিতে পারেন উপকারী এই বীজ। চিয়া বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে মধু ও লেবুর মিশিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন শরবত। সুপার ফুড হিসেবে পরিচিত এই বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের চমৎকার উৎস। এছাড়া বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর চিয়া সিড। জেনে নিন নিয়মিত চিয়া সিড খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।


  1. চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় ও হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। 
  2. ফাইবারের দারুণ উৎস চিয়া বীজ। দুই থেকে তিন টেবিল চামচ চিয়া বীজে প্রায় ৯.৮ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার থাকে। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে করোনারি হৃদরোগ, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, প্রদাহ, বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। ভালো থাকে অন্ত্রের স্বাস্থ্যও।
  3. চিয়া সিড স্বাস্থ্যকর হজমে সহায়তা করতে পারে। এটি নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। 
  4. চিয়া বীজ টোকোফেরল, ফাইটোস্টেরল, ক্যারোটিনয়েড এবং পলিফেনলিক যৌগসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‌্যাডিকেল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
  5. চিয়া বীজে নয়টি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। চিয়া বীজের প্রোটিন রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করতে সাহায্য করে।
  6. চিয়া বীজ প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে এবং পেট পরিপূর্ণ করে তোলে। ফলে কম ক্যালোরি খাওয়া হয়।
  7. ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে চিয়া বীজে। হাড় শক্তিশালী রাখে এসব উপাদান। 
  8. রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে চিয়া বীজ। 


সকালে লেবুপানি খাওয়ার উপকারিতা


সকালে এক গ্লাস লেবুপানি খেলে হজমশক্তি বাড়ে। এ ছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হয়। লেবুপানি শরীরে ভিটামিন 'সি'র ঘাটতি পূরণ করতে পারে। লেবুপানি পানে লেবুতে থাকা উপকারী উপাদান ত্বক উজ্জ্বল ও টানটান রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন 'সি'র কোলাজেন ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে

Popular Posts